সাহিত্য ও আত্মার অভিযাত্রা

আত্মপরিচয়ের অনুসন্ধান ও পথচলা

মোঃ সোহরাব হোসেন খান (অনন্ত মৈত্রী) একজন সুফি সাধক ও চিন্তাশীল লেখক। তাঁর সাধনার কেন্দ্রবিন্দু আত্মশুদ্ধি ও সত্যের অনুসন্ধান।
আত্মদর্শনে তিনি উপলব্ধি করেন—তাঁর সত্য পরিচয় মহাকাব্য রচনায়।
তাঁর মহাকাব্যের নাম “আত্মদর্শনে আমার সত্য”

এই মহাকাব্য তাঁর সাধনা, জীবন ও চেতনার সমন্বিত রূপ।
মহাকাব্য লেখা তাঁর কাছে কেবল সাহিত্য নয়—অন্তর্লোকের সত্যকে প্রকাশের এক নিঃশব্দ প্রক্রিয়া  কিনবা আত্মশুদ্ধি এক গভীর অনুশীলন।, সত্তার অনুসন্ধানে এক নিরলস যাত্রা।

 

তাঁর লেখনীতে সুফি দর্শন ও আধ্যাত্মিক অভিজ্ঞতা রূপ লাভ করে। এই মহাকাব্যিক চিন্তাধারা সমকালীন ইতিহাসে বিরল।
তাঁর রচনা পাঠককে গভীর আত্মজিজ্ঞাসায় আহ্বান জানায়।
সাহিত্য তাঁর কাছে আত্মিক জাগরণের এক নীরব সাধনা।

attodorshon amar shotta 1.jpg

রাষ্ট্রীয় একাডেমিক স্বীকৃতি পেল অনন্ত মৈত্রীর গ্রন্থ

অপরিসীম গর্ব ও গভীর আনন্দের সাথে জানাচ্ছি যে
মোঃ সোহরাব হোসেন খান (অনন্ত মৈত্রী)–এর জ্ঞানসাধনার প্রজ্বলিত দীপশিখা আজ রাষ্ট্রীয় একাডেমিক মর্যাদায় উদ্ভাসিত। তাঁর রচিত গ্রন্থ গাজীপুর বিশ্ববিদ্যালয়ের পিএইচডি পর্যায়ের পাঠ্যসূচিতে অন্তর্ভুক্ত হওয়া কেবল কোনো আনুষ্ঠানিক স্বীকৃতি নয়; এটি প্রজ্ঞা, সাধনা ও সত্যনিষ্ঠ গবেষণার উপর ইতিহাসের স্থায়ী সিলমোহর।

যিনি কলমের স্পর্শে জাগ্রত করেন মানববিবেক, যিনি চিন্তার দুয়ার খুলে দেন আত্মজিজ্ঞাসা ও আধ্যাত্মিকতার পথে—সেই মহান মুর্শিদ কেবলা মোঃ সোহরাব হোসেন খান (অনন্ত মৈত্রী) আজ জাতির উচ্চশিক্ষা ও গবেষণাঙ্গনে এক উজ্জ্বল আলোকবর্তিকা। এমন এক মহামানবের শিষ্য ও অনুসারী হতে পারা আমাদের জন্য পরম সৌভাগ্য, গর্বের শিখর ও আত্মিক উল্লাসের উৎস।

এই ঐতিহাসিক অর্জন প্রমাণ করে—
প্রজ্ঞা কখনো বিনত হয় না,
সাধনা কখনো বৃথা যায় না,
সত্যের পথে অবিচল যাত্রা একসময় অনিবার্য মর্যাদায় দীপ্ত হয়।

আমার পরিচয়কে অনুসন্ধান করুন

বিশেষ রচনা, কর্মসম্ভার ও নির্বাচিত সাহিত্যকর্ম

বিরল কবিতা ও সাহিত্য–রত্নের ভাণ্ডারে হারিয়ে যান।

ami bisshomoi.jpg

আমি বিশ্বময়​

গ্রন্থটি মূলত এক পূর্ণ আত্মার পরিচিতি। পরমাত্মাই পরিপূর্ণ হয়ে থাকে। সেই আত্মারই পরিচয় তুলে ধরেছি। ব্যক্তি কখনোও বিশ্বময়​ হতে পারে না। ব্যক্তি তো সসীম আর পরমাত্মা তো অসীম। সেই অসীমতার অনন্য পরিচয় আমি তুলে ধরেছি। এই গ্রন্থটি উচ্চ জ্ঞান সম্পন্ন ব্যক্তিবর্গের জন্য, এবং যারা নির্বাণ বা ফানা প্রাপ্ত তাদের জন্য। অতি উচ্চ দরজাতে যারা পোঁছেছে তারাই কেবল আমার এই গ্রন্থ পাঠ করে পরিতৃপ্তি অনুভব করবে। তারা প্রেমের সুধা গ্রহণ করতে পারবে। কেননা আমি আমার আত্মাকে বিশ্বময় রূপে দর্শন করেছি। কীভাবে দর্শন করেছি, দর্শনে কি অনুভব করেছি। সেই বিষয়গুলোই আমি এই গ্রন্থে তুলে ধরেছি। অতি উচ্চ স্তরের পর্যায় না হলে এমন পর্যায়ে পৌঁছানো সম্ভব নয়। আমি বিশ্বময় মূলত আমার পরমাত্মার পর্যায়। আমি নির্বাণ তথা ফানা প্রাপ্ত হয়ে নিজ আত্মার পূর্ণ বিকাশ দর্শন করেছি। আমার অস্তিত্ব হতে সেই অসীমতার প্রকাশই যেন এই বাহিক্যতা। সৃষ্টিতে আমি আমার আত্মার উপস্থিতি ছাড়া দ্বিতীয়তা দেখিনি।

— অনন্ত মৈত্রী —

ami sufi bade bishashi.jpg

আমি সুফিবাদে বিশাসী​

এই গ্রন্থটি মৌলিক সুফিবাদের অনন্য এক গ্রন্থ। এই গ্রন্থটি কেবলমাত্র আমার আত্মার পরিচয় কিভাবে লাভ করেছি, আমার আত্মার দর্শন পাওয়ার ক্ষেত্রে কি কি বিষয় অতিক্রম করেছি, আর আমার আত্মার দর্শন পাওয়ার ক্ষেত্রে আমার মুর্শিদ কিভাবে আমাকে সহায়তা করেছে সেইসব বিষয় আমি তুলে ধরেছি। গ্রন্থটিতে সম্পূর্ণ আত্মিক পরিচয় সম্বলিত। আত্মিক পরিচয়ের পর্যায়গুলো আমি তুলে ধরেছি। যেভাবে আমি আমার আত্মপরিচয় প্রাপ্ত হয়েছি। আমি কেন বিশ্বাস করলাম সুফিবাদ এই কারণ গুলি তুলে ধরেছি। গ্রন্থটি বিশ্বাত্মর পরিচয়। প্রত্যেকটি মানুষের মাঝে যে আত্মা বা সত্তা বিশ্বাত্ম সেই বিষয়টি আমি স্পষ্ট করে তুলে ধরেছি ।

— অনন্ত মৈত্রী —

amar murshid amar dorshon.jpg

আমার মুর্শিদ আমার দর্শন

আমার মুর্শিদ আমার দর্শন গ্রন্থটি মূলত: সুফিগ্রন্থ। এই গন্থটি আমি কোরআন, হাদিনসের আলোকে এবং আরো অন্যান্য মনিষীগণের গ্রন্থ হতে উধ্বৃতি নিয়ে লিপিবন্ধ করেছি। আমি গবেষণা করে স্পষ্টভাবে বুঝতে চেষ্টা করেছি মানব জীবনে একজন মুর্শিদের মাহাত্ম। সমাজে একটি ধারণা রয়েছে ইসলাম ধর্মে কোন মুর্শিদ লাগবে না। আমি আমার লিখনি দিয়ে সেই ধারণাকে খণ্ডিত করেছি। আমি বুঝিয়েছি কোরআন ও হাদিস হতে মুর্শিদের গুরুত্ব। অনেকেই দেখা যায় কোরআনের প্রকৃত অর্থকে বাদ দিয়ে মনগড়া মতো অর্থ প্রকাশ করে। আমার গ্রন্থে সেই সুযোগ নেই। কেননা আমি প্রতিটি আয়াতের শব্দে শব্দে অর্থ প্রকাশ করেছি।

— অনন্ত মৈত্রী —

attoporichoi.jpg

অনন্ত মৈত্রী আত্মপরিচয়​

অনন্ত মৈত্রীর আত্মপরিচয় মূলত আমার একান্ত আত্মিক পরিচিতি। আমি এই গ্রন্থে যা লিপিবদ্ধ করেছি এর সবগুলো ঘটনাই আমার সাথে ঘটে যাওয়া। আমি লিখেছি এই গ্রন্থখানা একটি পবিত্র আত্মার পরিচিতি ও তার মাহাত্ম সম্পর্কে। মানুষ যেন তার আপন আত্মা নিয়ে চিন্তা ভাবনা করে এই জন্যই এই গ্রন্থটি লেখা। গ্রন্থটি একটি মৌলিক আত্মপরিচয়মূলক গ্রন্থ। আমার বিশ্বাস আমার এই গ্রন্থ পড়ে পাঠক তার আপন আত্মিক পরিচিতি সম্পর্কে জ্ঞাত হতে পারবে। আমি যদিও আমার আত্মপরিচয় তুলে ধরেছি বিষয়টি প্রকৃতপক্ষে সমগ্র মানব জাতির। আমি যেমন আত্মধারী, প্রত্যেকটি মানবই তো আত্মধারী। আমি প্রত্যেকটি মানুষের আত্মার কথা চিন্তা করে এই গ্রন্থটি রচনা করেছি। আমি বিশ্বাস করি আমার আত্মাই প্রত্যেকটি মানুষের মাঝে বিরাজ করে। সে ক্ষেত্রে আমার আত্মপরিচয়ের মাঝে জগতের সকল মানবের আত্মপরিচয়। এই গ্রন্থে আমি এমন একটি আত্মার পরিচয় আর মাহাত্ম তুলে ধরেছি ।

— অনন্ত মৈত্রী —

attodorshon amar shotta 1.jpg

আত্মদর্শনে আমার সত্ত্বা

সুফিবাদের উপর লিখিত এই কাব্যগ্রন্থ মূলত আমারই সত্তার দর্শনের বিষয়বস্তুসমূহ লিপিবদ্ধ করা গিয়েছে। আমি আমার আত্মচিন্তা কিংবা আত্মপরিচয় গোপন রাখিনি । আমার সত্তার পরিচয় তুলে ধরেছি। প্রত্যেক মানবেরই জন্ম হয় সত্তা নিয়ে, আর সত্তার পরিচয় জানা প্রত্যেক মানবেরই অবশ্যই কর্তব্য। তেমনি করে আমি আমার সত্তার পরিচয় জেনেছি, আর তা-ই তুলে ধরেছি এই কাব্যগ্রন্থে। আমার এই কাব্যগ্রথে যা যা বিবৃতি হয়েছে এই সকল কিছুই চির সত্য, আমি আবেগে কিংবা অনুমানে কিছুই লিখিনি, যা আমার সত্তার উদিত হয়েছে সেগুলোই তুলে ধরেছি, যাহাতে মানুষ সত্তার পরিচয় পেতে পারে।

— অনন্ত মৈত্রী —

whatsapp image 2026 01 02 at 3.42.31 pm.jpeg

প্রেম তুমি

গ্রন্থটি মূলত একটি সৃজন কাব্য গ্রন্থ। এই গ্রন্থে পরমাত্মাকে আমি “প্রেম তুমি” বলে সম্বোধন করেছি। অসীম সত্তার পরিচয় তুলে ধরার চেষ্টা করেছি। পরমাত্মা মূলত প্রেমময়। সমাজে প্রচলিত গ্রন্থে গ্রন্থে পরমাত্মার যে পরিচয় দেওয়া আছে, আমি সেই দর্শন হতে প্রেমিকদের ফিরিয়ে আনতে চেষ্টা করেছি। আমি বিশ্বাস করি, সমাজে প্রচলিত গ্রন্থের সাথে প্রকৃত সত্তার কোনো সম্পর্কই নেই। আমি পরমাত্মাকে প্রেম রূপে উপলব্ধি ও দর্শন করেছি। আমি পরমাত্মাকে পরম প্রেম রূপে জ্ঞান করে থাকি। সমাজে প্রচলিত দর্শন হতে যেন প্রেমিকরা ফিরে আসে, এটাই আমার ক্ষুদ্র প্রয়াস। আমি প্রেমের স্থিতি বর্ণনা করেছি। প্রেম বা পরম সত্তার পর্যায় আলোচনা করেছি। আমার হৃদয়ের স্বচ্ছতার মাঝে যা দর্শিত হয়েছে, তাই-ই আমি বর্ণনা করেছি।

— অনন্ত মৈত্রী —

chirontore khaja.jpg

চিরন্তর
হযরত খাজা মঈনুদ্দিন চিশতী

একজন পূর্ণ সাধক কিভাবে চিরঞ্জন হয়ে থাকেন, কিভাবে যুগ যুগ আলো দান কিংবা পথের দিশারি হয়ে থাকেন, তাহাই আমি লিপিবদ্ধ করেছি। এটা কেবলমাত্র আমারই উপলব্ধি হতে লিপিবদ্ধ করেছি। ‘চিরন্তন’ হযরত খাজা মইন উদ্দিন চিশতী (রা.) গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছি— আমার ক্ষুদ্র জীবনের যৎ সামান্য উপলব্ধি এবং পরবর্তীতে কুরআনসহ আরো গ্রন্থের সমন্বয় করে দেখিয়েছি, আমার দর্শনের ভিত্তির সঠিকতা সম্পর্কে। আর সেই সব উপলব্ধিগুলোই আমি তুলে ধরেছি। কুরআনের কিছু আয়াতের ব্যাখ্যাও দিয়েছি, কেননা আমরা তো মুসলমান, কুরআন হতে উধৃতি না দিলে পূর্ণতা প্রকাশ পাবে না, এটা আমাদের অনেকেরই বিশ্বাস। চেষ্টা করেছি আমি, উত্তম এবং শ্রেষ্ঠ একটি মত-পথ প্রকাশ করার জন্য।

— অনন্ত মৈত্রী —

dikdorshon 1.jpg

অনন্ত মৈত্রী দিকদর্শন

অনন্ত মৈত্রীর দিক দর্শন–১ কাব্যগ্রন্থটি সম্পূর্ণ মৌলিক লেখা। এই গ্রন্থে যা–ই বর্ণিত হয়েছে দিবালোকের ন্যায় স্পষ্ট হয়ে তা প্রকাশিত হয়েছে, তথাই। গ্রন্থটি মূলত আত্মপরিচয়ের নাম। প্রত্যেকটি মানুষের যেমন ব্যক্তিগত পরিচয় রয়েছে, তেমনি প্রত্যেকটি আত্মারও পরিচয় রয়েছে। আর অনন্ত মৈত্রী নামটি আমার আত্মার নাম, আমার আত্মার পরিচয়। প্রত্যেকটি মানুষের মধ্যে সেই আত্মা সুপ্ত অবস্থায় থাকে। আমি জাগ্রত করতে সক্ষম হয়েছি, তাই আমার আত্মপরিচয় পেয়েছি। মানুষ হিসেবে আমারও মৌলিক দায়িত্ব অন্যান্য মানুষদের সেই আত্মপরিচয়ের দিকে আহ্বান করা, কিংবা আত্মার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দেওয়া। তাই আমি সেই কাজটি–ই করে যাচ্ছি। মানুষ যখন নিজের আত্মপরিচয় জেনে যাবে, তখন এই দেশ, এই পৃথিবীতে কোনো ভেদাভেদ থাকবে না, বলে বিশ্বাস করি। সেই বিশ্বাসকে বাস্তবায়ন করার লক্ষ্যেই আমার এই প্রচেষ্টা।

— অনন্ত মৈত্রী —

মুর্শিদ তুমি

এই গ্রন্থটি মৌলিক সুফিবাদের অনন্য এক গ্রন্থ। আমি এই গ্রন্থে একজন মুর্শিদের স্বরূপ তুলে ধরেছি। তুলে ধরেছি একজন মুরীদের প্রাপ্তি। মুর্শিদ তার কৃপায় দ্বারা একজন সাধারণ মানুষের কোথায় নিয়ে যেতে পারেন সেই বিষয়টি ফুটিয়ে তুলেছি। আর একজন মুরীদও কীভাবে মুর্শিদের সজ্ঞে একাত্ম হয়ে থাকতে হবে। মানব অস্তিতের আদি অন্ত, মুর্শিদ তার মুরীদের কী শিক্ষা দেয়, আর কি শিক্ষা দেয়া উচিত। আর একজন মুরীদ হিসাবে তার নিজ অস্তিত্বের পরিচয় সম্পর্কে জানা আবশ্যক, আমি সেই বিষয়গুলো তুলে ধরেছি। আমার মুর্শিদ হযরত খাজা মাইনুদ্দীন চিশতী (রাঃ)=কে উদ্দেশ করে লিখেছি। আমি বিশ্বাস করি আমার মুর্শিদ সূর্য সম। যার কোনো তুলনা হয় না. আমি এটাও বিশ্বাস করি আমার মুর্শিদই আত্মা রূপে প্রতিটি মানবের মাঝে লুকিয়ে আছে. আর তাকে প্রকাশ করাই মূল সাধনা ।

— অনন্ত মৈত্রী —

amar chobi.jpg

আমার ছবি

‘আমার ছবি’ মূলত নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তিসত্তার ছবি নয়। আমার ছবি মূলত জগতের প্রতিটি মানুষের ছবি। মানব চেহারায় যে মহিমা স্থিত রয়েছে, সেই মহিমাগুলোকে আমি আমার গ্রন্থে লিপিবদ্ধ করেছি। আমার ছবিতে কি আছে সেই সব রহস্য নিজে দর্শন করেই আমার গ্রন্থের নাম ‘আমার ছবি’ নামকরণ করেছি। আমি বিশ্বাস করি প্রতিটি চেহারা বা ছবিতেই এমন মহিমাময় গুণাবলি সমাহিত। মানব অস্তিত্ব ও পরিচয়মূলক গ্রন্থ। এই গ্রন্থটি মানব চেহারার পরিচয় প্রদানকারী। আমি জানি না কতজন মানুষ তার আপন চেহারার মহিমা সম্পর্কে জ্ঞাত। যাতে সেই চেহারা সম্পর্কে জ্ঞাত হতে পারে সেই জন্যই এই গ্রন্থটি লিপিবদ্ধ করেছি কবিতার ছন্দে ছন্দে। গ্রন্থিতে মানব অস্তিত্বের মর্যাদা তুলে ধরেছি। গ্রন্থটি একটি চিরন্তন গ্রন্থ বলে আমি অভিহিত করেছি। এই গ্রন্থটি ততদিন পর্যন্ত জারি থাকবে, যতদিন ধরনীতে মানবের অস্তিত্ব টিকে থাকবে। কেননা এই গ্রন্থে মানব অস্তিত্বের অন্যতম যে চেহারা বা ছবি, সেই চেহারা বা ছবিরই মাহাত্ম্য তুলে ধরা হয়েছে। আমার এই গ্রন্থে আমি যতটুকু দর্শন করেছি ততটুকুই তুলে ধরেছি।

— অনন্ত মৈত্রী —

রেসালাত-এ-চিশতীয়া

পবিত্র কোরআন আমাদের সামগ্রিক জীবন ব্যবস্থার একমাত্র প্রথপ্রদর্শক। আমাদের জীবন পরিচালনা করতে হবে পবিত্র কোরআনের আলোকে। পবিত্র কোরআন নিয়ে গবেষণা করতে গিয়ে দেখি-অসংখ্য আয়াত হচ্ছে রূপক,রহস্যময়। যা সাধারণ জ্ঞান দিয়ে উপলব্দি করা খুব কঠিন। বর্তমান সমাজ ব্যবস্থায় অনেক নামী দামী কোরআন গবেষকের আবির্ভাব ঘটেছে, পূর্বেও ছিল. ওনাদের ব্যাখ্যা বিশেষণ কতটুকু সহীহ এটা আল্লাহ পাকের উপর ছেড়ে দিয়েছি। অসংখ দুরুদ ও সালাম পেশ করছি প্রিয় নবীয়ে পাক (সাঃ) এর পবিত্র রওজা পাকে। আমি চেষ্টা করছি পবিত্র কোরআনের হুবহু রাফসির করার।

— অনন্ত মৈত্রী —

আমাদের সাহিত্য ভাণ্ডার

সাহিত্য, স্বীকৃতির ও সাফ্যলের পথে অর্জন

প্রকাশিত ও আসন্ন গ্রন্থসমূহের মনোমুগ্ধকর প্রচ্ছদ ও সাহিত্যিক যাত্রার এক ঝলক।

লেখকের কিছু বাণী

শব্দে শব্দে কবিতা ও কথন

আত্মদর্শন ও অন্তর্জাগরণের পথে আজকের কবিতা ও কথনের সমাহার

সে সঙ্গে আছে
-- অনন্ত মৈত্রী --
সে সঙ্গে আছে
সফলতা তাই তো মোর পিছু দৌড়াচ্ছে,
চেয়েছি তারেই প্রথমে
আর কিছুই চাইনি জীবনে,
নিন্দা করেছে যে কতজনে
উন্নতি ছিলো না তখন মোর জীবনে।।
 
আঁকড়ে ধরেছি কেবলই তাহাকে
উন্নতি তো চাইনি আমি জীবনে,
এই আবেশ বুঝাই আমি কাহারে?
বুঝেও নি কোনো মানুষে,
তাই তো হাসাহাসি করেছে আমায় নিয়ে
সে সব কিছুরই অবসান ঘটিয়ে দিয়েছে।।
 
সে সঙ্গে আছে
বলেছি আমি বারে বারে,
মোর সফলতা তো সেই কারণে
আমার কোনো ভূমিকা নেই তাহাতে,
কিছুই নেই মোর যোগ্যতা বলতে
তার কারণেই আজ সফলতার দ্বার খুলেছে
একটি ছবি
-- অনন্ত মৈত্রী --
একটি ছবি
জনম জনম ধরে খুঁজি,
কভু পাই, কভু পাই না সেটি
তারপরও খুঁজে ফিরি।।
 
ধরিত্রীতে নামের ছড়াছড়ি
যদিও ছবিটি বেনামী,
নামে নামে কত ধর্ম হয়েছে সৃষ্টি
সেই ছবির খবর কয়জনই বা রাখি?।।
 
মন মতো দেয়া পরিচিতি
কতজনই সেই ছবিটি লভেছে,তা সন্দেহ মনে রাখি?
লেবাসে মনে হয়, সকলেই জানে সেই ছবির পরিচিতি
তাদের অবস্থা দেখে নিজেকে গুটিয়ে রাখি।।
 
একটি ছবি
সৃষ্টির মূল জানি,
কোথায় লুকিয়ে?তাহা না জানি
মনুষ্যের কথা শুনে বিভ্রান্তে পড়ি।।
 
অসৃষ্ট ছবিটি
ইন্দ্রিয়ের উর্ধ্বে যাহার স্থিতি,
সাধক ছাড়া সন্ধান না জানি
মুখে মুখে শুধুই তর্ক করি।।
সেই ছবিটিই মূল পরিচিতি
যতোটুকু জেনেছি,
মনুষ্যের মূল ভিত্তি
তাহা জেনেই খুঁজে ফিরি।।
 
মানব জীবন পূর্ণ হবে
সেই ছবিটি লভিলে,
বুঝে যারা তাঁরাই সন্ধান করে
চলেছি আমিও সেই পথে
মনের গভীরে
-- অনন্ত মৈত্রী --
মনের গভীরে
সে -ই তো বসত করে,
একান্ত হৃদে খেয়াল করলে
তার স্থিতিই তো অনুভবে আসে।।
 
ইন্দ্রিয়ের অস্থিরতা
নষ্ট করে একাগ্রতা,
তথায় তাই তো খেয়াল পৌঁছায় না
যার হেতু উপলব্ধি হয় না।।
 
মনের গভীরে
সংযুক্ত করিলে,
তথা হতেই প্রেরণা আসে
এলহাম যাকে বলে।।
 
মনের গভীরে
সে-ই মূলতঃ কথা বলে,
ইন্দ্রিয়ের প্রভাব দূর হলে
সেই কথা স্পষ্ট হবে।।
 
মনের গভীরে
সে যে বসত করে,
নেই কো মোর সন্দেহ তাহাতে
কেননা আমি যে চিনে গেছি তাহারে
সে সঙ্গে আছে
-- অনন্ত মৈত্রী --
ব্রহ্মা
নিজেই নিজেকে প্রকাশ করে,
বিষ্ণু
নিজেই নিজের সঙ্গে প্রেমলীলায় মত্ত থাকে
শিব

নিজেই নিজের ছবি অঙ্গন করে

বানীতে
-- অনন্ত মৈত্রী --
বললাম
হৃদ মাঝে কে দোলা দেয়?
সে উত্তর দিল
প্রেমিক হৃদয়ে তো প্রেমই দোলা দিয়ে থাকে
পরিত্রাণ দাতা
-- অনন্ত মৈত্রী --
খাজা মুঈনুদ্দিন চিশতী (রা)
শাহেনশাহে হিন্দুস্তানী
সুফী সাধকদের শিরোমণি
প্রেমিকদের অদ্বিতীয় তুমি।।
 
জাগ্রত সত্তা রূপে
শাসন করছো ধরিত্রীকে,
হৃদ হতে আহ্বান করিলে
পরিত্রাণ করো তাহাকে,।।
 
স্বচ্ছ হৃদে তোমার বসতি
প্রেমিক হিসেবে বিশ্বাস করি,
দলিল প্রমাণ দূরে রাখি
তবেই তোমায় অনুভব করি।।
 
সত্তা গত বিষয়ে
দলিল প্রমাণ নাহি চলে,
ভাবনা গভীরে
সত্তা যেন বসত করে।।
 
কেবল প্রেমিক হলে
সত্তাগত বিষয় অনুভূত হবে,
শাস্ত্রীয় বিদ্যা পরিত্যাগে
এই পথে চলতে হবে‌।
কেবল খাজার আশেক হলে
পরিত্রাণ দাতা তবেই অনুভব হবে,
কতৃত্ব কেবল তাঁরই হাতে
সেই রহস্য প্রকাশ পাবে।।
 
ভাবার্থ না বুঝিলে
মূল বিষয় অপূর্ণ থাকে,
সেই কথা বুঝে কয়জনে?
আর দ্বন্দ্ব হয় তাহাতে।।
 
সাধনা করিলে
ভাবার্থ হৃদয়ঙ্গম হবে,
সত্তা গত বিষয় ভাবের সঙ্গে
বলেছি আমি সেই ভাবনা হতে।।
 
পরিত্রাণ দাতা
খাজা মুঈনুদ্দিন চিশতীয়া (রা)
সকলের বোধগম্য হয় না তাহা
মূলতঃ শাস্ত্র জ্ঞানী তাহারা
মৈত্রী ভাবনা
-- অনন্ত মৈত্রী --
মৈত্রী ভাবনা
নয় কো কোনো কল্পনা,
হৃদয়ের যতো কথা
মৈত্রী অক্ষরে করে ব্যক্ততা।।
 
পরিচ্ছন্ন হৃদয়ে
সত্য সে তো বসত করে,
মৈত্রীর যতো ভাবনা
সেই সত্যেরই পরিচয় তাহা,।।
 
মৈত্রী হৃদয়ে
কেবল সত্যই বসত করে,
জল্পনা কল্পনা হতে বহু দূরে
মৈত্রীর স্থিতি তাই তো সকলে বুঝতে না পারে।।
 
কল্পিত চরিত্র
মৈত্রীর হৃদে হয় না দৃশ্যত,
মৈত্রীর হৃদে কেবল সত্যই জাগ্রত
সৃষ্টিতে মৈত্রী তাই তো অনন্য।।
 
মৈত্রীর ভাষা প্রেমের ছোঁয়ায়
মৈত্রী তাই তো জ্ঞানময়,
মৈত্রী থাকে ভাবনায়
আপনার সৃষ্টি অনুভবে তাই
জ্ঞান হতে
-- অনন্ত মৈত্রী --
জ্ঞান হতে জন্মেছি আমি
তাই তো জ্ঞানের সন্ধানই করি,
সব কিছুই জ্ঞান দিয়েই দেখি
জ্ঞানময় তারেও অনুভব করি,।।
 
জ্ঞান হতেই সর্ব সৃষ্টি
সর্বত্রই জ্ঞানের ছড়াছড়ি
জ্ঞান ছাড়া অন্য কিছু নাহি দেখি
জ্ঞানের পথে তাই তো চলি।।
 
জ্ঞান হতে জ্ঞানী
সেই জ্ঞানেই প্রভুর বাণী,
প্রভু রয় জ্ঞান মাঝে
অনেকেই তাহা নাহি বুঝে।।
 
মৈত্রী চলে জ্ঞানীর পথে
তর্ক হতে দূরে থাকে,
জ্ঞানীগুণী যেথায় দেখে
মৈত্রী তথায় বসে পড়ে
বানীতে
-- অনন্ত মৈত্রী --
 
সেই তুমিই ঘুরেফিরে মূলতঃ আমি

যার সঙ্গে হয়েছে সংযুক্তি

বিপদের কান্ডারি
-- অনন্ত মৈত্রী --
সে-ই মূলতঃ উদ্ধার করেছে
পদে পদে যতো বিপদ এসেছে,
যদিও হাত বাড়িয়েছি অনেক জায়গাতে
নিষ্ফল হয়েছি তথা হতে,।।
তার প্রতি আত্মবিশ্বাস বেড়েছে
পূর্ব হতে বহুগুণে,
দৃষ্টি এইজন্যই তার দিকে
পরিতৃপ্ত অনুভব করি সেই কারণে,।।
হৃদ হতে বিশ্বাস করি
সে-ই মূলতঃ বিপদের কান্ডারি,
তাহারে তাই তো স্মরণ করি
সেই নামেই এগিয়ে চলি
মহাকাব্যের রচনা
-- অনন্ত মৈত্রী --
তুমি যে প্রেমের ডালি
তাহা কেবলই হৃদে অনুভূত করি,
কাব্যের স্রোত সৃষ্টি
তাহা হতেই কলম আমি ধরি।।
 
তোমার ভাবনাতেই হয় সৃষ্টি
হাজারো মহাকাব্যর পরিচিতি,
তুমি যে মোর প্রেমের ডালি
সেই কথা মুহুর্তের জন্যও নাহি ভুলি
তাই তো মহাকাব্য লিখিতে আমি পারি।।
 
মহাকাব্যের শ্লোক তথা হতেই সৃষ্টি
বিভোর হয়ে তাই তো ডুবে থাকি,
অক্ষর দিয়ে তথা হতেই প্রকাশ করি
মহাকাব্য মূলতঃ ঐশী দ্যুতি।।
 
প্রতিটি হৃদয়ে সুপ্ত মহাকাব্যের পরিচিতি
আক্ষরিক রূপ দানে যে সমর্থ সে-ই হয় শ্রেষ্ঠ কবি,
জাগ্রত হয় না সকলের হৃদে মহাকাব্যের স্থিতি
জগতে তাই তো হয়না সকলে মহাকবি।।
 
ধরিত্রীতে আশির্বাদ হয় মহাকাব্যের রচনা
সর্ব যুগেই তাই তো দেয়া হয় সর্বোচ্চ সম্মাননা,
মহাকাব্যের জন্যেই হয় সাহিত্যের পূর্ণতা
মৈত্রী তাই তো রচনা করেছে “আত্মদর্শনে আমার সত্তা”
রাজ দরবারে
-- অনন্ত মৈত্রী --
রাজ দরবারে
শাহেনশাহ তুমি
হে খাজা মুঈনুদ্দিন চিশতী (রা),
একান্তে দেখেছি
তাই তো প্রকাশ করছি,
শাহেনশাহ ভাবে
সজ্জিত তুমি
রাজকীয় আসন খানি,
মস্তক নত করেছি
তাই তো আমি।।
 
শৌর্যবীর্যে অতুলনীয়
আমার জ্ঞানে তুমি অদ্বিতীয়,
পড়ে থাকি তোমার দরগায়
তথা হতেই জ্ঞান আমি পাই,
জগতে সেই রহস্য জানতে না পায়
আমি তো জানি তুমি ছাড়া মোর কোনো গতি নাই,।।
 
হৃদ হতে স্মরিলে
তোমার দেখা মিলে,
জাগ্রত সত্তা তুমি
অবিনশ্বর বলে আমি জানি,
তর্ক বিতর্কের উর্দ্ধে তোমার স্থিতি
প্রেমেই তোমার পরিচিতি,
রাজ দরবারের অধিশ্বর তুমি
সেদিন দেখেছি আমি,
মস্তক নত এমনিতেই হয়নি
পবিত্র ও মহিমান্বিত দেখেছি।।
 
রাজ দরবারে
তোমার কতৃত্বই দেখেছি,
সন্দেহ নেই অধিশ্বর যে তুমি
মহারাজা তুমি
সেদিন স্পষ্ট হয়েছি,
দৃশ্যত রাজাও তাই তো
মস্তক নত করে তোমার দরগাতে,
ঐশী সুবাতাস বহে
তোমার দরগাহতে,
পড়ে থাকে মনুষ্য সবে
প্রশান্তি লভে বলে,
ধন্য তুমি হে মহারাজ
ধরিত্রীতে তোমার এমন দরবার,
মৈত্রী সালাম পাঠায় বারবার
আশা রাখে তোমাকে দেখবে প্রতিবার
বানীতে
-- অনন্ত মৈত্রী --
বললাম
তুমি কি উচ্চে রও?
সে উত্তর দিল
আমি নিরহংকারীর মাঝে রই.

বললাম
হৃদয়ের দ্বার কখন খোলে?
সে উত্তর দিল
একত্ব প্রতিষ্ঠিত হলে

পাঠক ও গবেষকদের মূল্যবান মতামত

তাঁর রচনা নিয়ে পাঠকের অনুভূতি

পাঠক, গবেষক ও শুভানুধ্যায়ীদের হৃদয়ের অনুভূতি—যারা তাঁর সাহিত্য, সাধনা ও দর্শন থেকে পেয়েছেন নতুন আলোক ও দিকনির্দেশনা
Elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo. Nam varius consectetur. Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.

Martin Smith

CEO, Acme Industries
Elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo. Nam varius consectetur. Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.

Shelly Barns

CEO, Acme Industries
Elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo. Nam varius consectetur. Lorem ipsum dolor sit amet, consectetur adipiscing elit. Ut elit tellus, luctus nec ullamcorper mattis, pulvinar dapibus leo.

Jacob Luke

CEO, Acme Industries

Join Our Community

Be part of a growing community that celebrates Sufi literature and poetry.

Stay Connected with Us

Join our newsletter for the latest updates and insights.

About Us

অনন্ত মৈত্রী: সাহিত্য, গবেষণা ও কবিতার জন্য একটি স্পর্শকাতর প্ল্যাটফর্ম

Working hours

Lorem Ipsum

Lorem Ipsum

Contact us

+8801911952831

alam.tariful@gmail.com

House:365, Billal Hossain Road, Dhaka Cantonment

Scroll to Top